পশ্চিম বঙ্গের বাঙালি হিন্দুদের মেরুদন্ড নেই , রাজ্যে হাতছাড়া হয়ে যাবে ?
অমল গুপ্ত ,গুয়াহাটি : ১এপ্রিল: পশ্চিমবঙ্গের মালদাহ, দিনাজপুর ,মুর্শিদাবাদ জেলার , বিভিন্ন জায়গায় "ইসলামিক স্টেট অফ ওয়েস্টবেঙ্গল " দাবিতে উর্দু ভাষাতে পোস্টার ব্যানারে ভরে গেছে বলে অভিযোগ করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক সন্ময় ব্যানার্জী।তিনি। এক প্রতিবেদনে জানান কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রধান অজিত দোভাল গোপনে পশ্চিম বঙ্গ ঘুরে এই গোপন খবর কেন্দ্রীয় সরকাকে অবগত করেছেন। ইতি মধ্যে মেদিনীপুর মালদহ জলা থেকে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের খবর টিভিতে এসেছে। বাংলদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার অব্যাহত আছে। ইসকনের সাধু চিন্ময় কৃষ্ণ আজও চট্রগ্রাম জেলের অন্ধ কয়েদ খানা তে বন্দি ।তাকে ঠিক মত চিকিৎসা করা হচ্ছে না। বড় লজ্জা পরিতাপের কথা ভারতের হিন্দুত্ব বাদি বিজেপি সরকার বাংলদেশে হিন্দুদের রক্ষা করতে পারছে না। হিন্দু সাধুকে মুক্তি দিতে পারলেন না। বিজেপি সরকার কি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকার প্রধান মহম্মদ ইউনূসের কাছে আত্মসমর্পণ করলো? ইউনূস বুক ফুলিয়ে চিন ঘরে এলেন।চীনের অঢেল আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি পেলেন।পাকিস্থান ও ইউনূসের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। আমেরিকা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর সুর ও নরম। চীনের কয়েকটি হাসপতালে বাংলাদেশীদের জন্যে আসন সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশীরা এখন ভারত ছেড়ে চীনের রাস্তা ধরবে। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলদেশে সীমান্ত আজও উন্মুক্ত বেশ কিছু জায়গায়। বাংলাদেশীদের অবাধ অনুপ্রবেশ চলছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অভিযোগ করেছে। সীমান্ত সিল করার অনুমতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার দিচ্ছে না বলে কেন্দ্র i অভিযোগ করেছে। বাংলাদেশী দের সঙ্গে মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের অনুপ্রবেশ চলছে বলেও কেন্দ্র অভিযোগ করেছে।
কলকাতার তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন জমিদার শ্রেণীর উচ্চবিত্তের ধনী মানুষ বাংলদেশে হাজার হাজার প্রসাদ গড়ে জলের দরে বিক্রি এপারে পালিয়ে এসেছে। সম্পূর্ণ ভয়ে প্রতিবাদ না করে চলে এসেছে। পশ্চিম বঙ্গের অধিকাংশ বুদ্ধিজীবী হিন্দু বামপন্থী ডান পন্থী হিন্দু নেতা , ফেলে আসা বিশাল সম্পত্তি উদ্ধারে চেষ্টায় করেনি। এখন বঙ্গ ভিটা বলে বাংলাদেশের টিভিতে চোখ রাখলে ভগ্ন প্রসাদ গুলি দেখা যাবে।বাঙালি হিন্দুদের তখনও মেরুদন্ড ছিল না আজও নেই। এই বাংলাদেশীরা পশ্চিম বঙ্গ দখল করার হুমকি দিচ্ছে।আর ভারত সরকার চুপ চাপ। পশ্চিমবঙ্গের ৩৪ শতাংশ মুসলিমের সমর্থনের জোরে তৃনমূল সরকার মসনদে বসছে।আবার আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ও ক্ষমতায় আসবে।মেরুদন্ড হীন বাঙালি হিন্দুরা এই খেলা দেখবে।
কোন মন্তব্য নেই