পশ্চিমবঙ্গে মেডিক্যাল কলেজ গুলিতে ডাক্তারদের সততা ,মূল্যবোধ, নৈতিকতা শূন্য
নয়া ঠাহর , কোলকাতা :পশ্চিমবঙ্গে অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল গুলিতে এমন কি পশ্চিমবঙ্গের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ছাত্রদের পড়াশুনার পরিবেশ নেই। মেডিক্যাল কলেজ গুলি একেবারেই উপযুক্ত নয়। হোস্টেল গুলিতে ঘর পাওয়া ভর্তির বিশাল চক্র, উৎকোচ দিলেই ঘর পাওয়া যায়।পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র ফাঁস, ,পরীক্ষার নম্বর নিয়ে ব্যাপক কারচুপি সাধারণ ঘটনা। এই দূর্নীতি পরায়ন অসৎ ডাক্তাররা সাজগোজ করা চেম্বার বসে প্র্যাকটিস করবেন মোটা অংকের ফিজ ,স্বাস্থ্য পরীক্ষার নামে মিথ্যা সব পরীক্ষা হাজার হাজার টাকার পরীক্ষা,সঙ্গে ভেজাল ঔষধ , রাজ্যের শহর গুলির প্রধান রাস্তায় বড়বড় ল্যাবরেটরি নানা নামের চমক।বিজ্ঞাপন হাতছানি ।অর্থ লুটের নানা কায়দা। ৬০,৬৫ ৭০ বছরের বৃদ্ধ, বৃদ্ধা দের আর্থিক সঙ্গতি নেই। কেন্দ্র বিজেপি সরকার বয়স্ক মানুষদের সব সুবিধা ছাঁটাই করেছে। রেল ,বিমান যাওয়ার সুবিধা ছাঁটাই করেছে। মোদী সরকার বাজারে ৯০ শতাংশ ভেজাল ঔষধ।নির্বাচনি বন্ড ঔষধ কোম্পানী গুলো বেশি অংকের চাঁদা দিয়ে সব ঔষধের দাম বাড়িয়ে দিল। বলার কেউ নেই।বিজেপি সরকার বয়স্ক দের সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কলকাতার ডাক্তার হত্যা দুর্নীতির নানা দিক স্পষ্ট করে দিল।ডাক্তারদের ন্যূনতম সততা নেই ,যেকোনো ভাবে ডাক্তার পাশের সার্টিফিকেট জোগাড় করে চেম্বার খুলেই লুটপাট শুরু করা। যে কথাটি উল্লেখ করা হয়নি উত্তর পূর্বাঞ্চল থেকে কলকাতা অধিকাংশ না ১০০ শতাংশ সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয় হোস্টেল এমনকি মহিলাদের হোস্টেল ব্যাপক হারে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। মায়ানমার, মণিপুর থেকে ত্রিপুরা হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে ঢুকছে।ত্রিপুরার এক বিশিষ্ট সংবাদিক তথ্য মূলক প্রতিবেদন সূত্রে সহ বিভিন্ন সূত্রে বিস্ফোরক তথ্য পাওয়া গেছে। শুধু অসম সরকার এপর্যন্ত কয়েকশো কোটি টাকার মাদক ধরা পড়েছে। পশ্চিম বঙ্গ বাংলাদেশ সীমান্ত মাদকের সোনালী ক্ষেত্র। মাদকের পাশে র্যাগিং তো আছেই। কলকাতার যাদবপুরে বিশ্ববিদ্যালয় রে গিং বলি গল এক ছাত্র আজও বিচার পেল না। কোনো আন্দোলন হল না। সন্দীপ ঘোষ ২০২৩- ২৪ সালে ৯৪ জন কে এম বি বি এস পাশ করিয়ে দেয়।সব অবৈধ ডাক্তার এখন বাজারে চুটিয়ে ব্যবসা করছে।
কোন মন্তব্য নেই